আজ || শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
শিরোনাম :
  রাজাপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠিত       দাগনভূঞায় জে.কে ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার বিতরণ       সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখেই বাহরাইনে ঈদুল ফিতর উদযাপন       শ্রমিকদের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছেন কুমিল্লা প্রবাসী কল্যান ফোরাম বাহরাইন       বাহরাইনে আদনান গেইট কনস্ট্রাকশন কোম্পানির উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ       দাগনভূঞায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার       ফেনী ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন       বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত       দাগনভূঞায় হাজী আবদুর রব-রুচিয়া ফাউন্ডেশনের ইফতার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ       দাগনভূঞায় আধুনিক মাছ চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ    
 


মালয়েশিয়ায় শ্রমিক বৈধকরণে অনিয়ম হলেই ৪০ লক্ষ টাকা জরিমানা

মো.মেহেদী হাসান

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক বৈধকরণে অনিয়ম হলেই ৪০ লক্ষ টাকা জরিমানা

মালয়েশিয়া সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী গত ১৬ ই নভেম্বর ২০২০ থেকে শুরু হয়েছে অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া। রিকেলিব্রেশন নামের এই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক বৈধকরণ নিবন্ধনে সরকার আগের মতো কোনো তৃতীয় পক্ষ বা এজেন্ট নিয়োগ করেনি। সে ক্ষেত্রে এবার সরাসরি দেশটির শ্রম ও মানব সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। যদি কোনো তৃতীয় পক্ষ, এজেন্ট বা দালাল শ্রমিকদের সঙ্গে কোনোরকম প্রতারণা করে তাহলে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির মানব সম্পদ মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় (কেএসএম) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শ্রমিক নিয়োগে কোনো ধরনের প্রতারণা করা হলে দেশটির বেসরকারি কর্মসংস্থান জাতীয় সংবিধান ১৯৮১ সালের ২৪৬ এর ৭ ধারায় প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ২ লাখ রিঙ্গিত যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সরকার এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা। এ ধরনের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য যে গত ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অবৈধ অভিবাসী কর্মী রি-হায়ারিং (পুনঃনিয়োগ) প্রকল্প পরিচালিত হয়েছিল। ওই প্রকল্পে দালাল ও এজেন্টদের কাছে টাকা ও পাসপোর্ট দিয়ে বিভিন্ন দেশের লাখ লাখ অভিবাসী কর্মী প্রতারণা ও জালিয়াতির শিকার হয়েছিলেন। এই প্রতারণার বিষয়টি দেশটির সরকার ও দূতাবাসে অবহিত করা হলেও সংশ্লিষ্ট প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। কারণ প্রতারক চক্র অভিবাসী কর্মীদের কাছ থেকে টাকা ও পাসপোর্ট গ্রহনের সময় কোন প্রকার টাকা জমা রসিদ বা কোনো ডকুমেন্টস তারা প্রদান করেন নাই।


Top