বিশেষ প্রতিনিধি :
ফেনীতে ঠিকাদারকে অপহরণের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান জানে আলম গ্রেফতার
ফেনী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার-দফাদার) পোষাক সরবরাহের দরপত্র জমা দিতে আসা খলিলুর রহমান নামের এক ঠিকাদারকে অপহরণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামী শর্শদী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগ সহ-সভাপতি জানে আলমকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সদর উপজেলার জাহানপুর এলাকার নিজবাড়ী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক এ এন এম নুরুজ্জামান জানান অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় ঠিকাদার খলিলুর রহমান গত ২৭ ডিসেম্বর বাদি হয়ে শর্শদী ইউপি চেয়ারম্যান জানে আলমসহ ৮ জনকে আসামী করে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পুলিশ এজহার নামীয় শফিকুল ইসলাম সম্রাট (২৪), মো. সালাউদ্দিন (২০), কামরুল হাসান সাব্বির (২৩) ও মো. রাসেল হোসেনকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে সম্রাট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
প্রসঙ্গত গ্রাম পুলিশের পোষাক সরবরাহের জন্য ‘মাটি আর মানুষ’ নামীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে দরপত্র দাখিল করতে ঠিকাদার খলিলুর রহমান রোববার সকালের দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। এসময় কয়েকজন অপরিচিত যুবক কৌশলে জোরপূর্বক সেখান থেকে তাকে অপহরণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিপরীতের কিং অব ফেনী কমিউনিটি সেন্টারে নিয়ে যায়। সেখানে তারা তার উপর নির্যাতন চালায়,মোবাইল কেড়ে নেয় ও দরপত্র দাখিল না করতে হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে শর্শদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানে আলম তার কাছ থেকে দরপত্রের কাগজপত্র জোরপূর্বক নিয়ে যায়। খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সন্ধ্যায় কমিউনিটি সেন্টার থেকে তাকে উদ্ধার করে। ওই সময় চার জনকে আটক করে পুলিশ।