আজ || বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম :
  ফেনীর দাগনভূঞায় অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন স্মরণে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত       ফেনীর দাগনভূঞায় কালান্তর গোষ্ঠীর আয়োজনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত       ফেনীর দাগনভূঞায় নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন       দাগনভূঞা রিপোর্টার্স ইউনিটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত       ফেনীর দাগনভূঞা অফিসার্স ক্লাব’র আয়োজনে দুই অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা       ফেনীর দাগনভূঞায় এসিল্যান্ড মেহরাজ শারবীনের বিদায় সংবর্ধনা       বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল বাহরাইন শাখার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত       বাহরাইনের স্পীকারের সাথে বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সাক্ষাৎ       ফেনীর দাগনভূঞায় রেন্ট-এ কার শ্রমিক কল্যাণ সমবায় সমিতির ইফতার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত       পবিএ মাহে রমজান উপলক্ষে ফেনী ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত    
 


বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার মানবিকতা

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের চারটি গ্রাম- জামশেদপুর, ধলীপাড়া, মাখরগাঁও এবং আমতৈল মিলে বৃহত্তর আমতৈল গ্রাম নামে পরিচিত। আমতৈল গ্রামে প্রতিবন্ধিতার হার সিলেটের সামগ্রিক হারের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। মানবিক এ বিষয়টি বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা তার বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিতে আনেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি তৎক্ষণাৎ আমলে নেন। তিনি রামপাশা ইউনিয়নের ৪৬১ জন প্রতিবন্ধীকে জনপ্রতি ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রতি পরিবারের জন্য একটি লুঙ্গি ও একটি শাড়ি বরাদ্দের জন্য ১৬ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করেন।

মঙ্গলবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, আমতৈল গ্রামের বর্তমান প্রতিবন্ধী শিশুদের সুস্থতা এবং ভবিষ্যতে সুস্থ প্রজন্ম নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সেগুলো হল- ১. গ্রামের সব প্রতিবন্ধীর সমস্যা যথাযথভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আনতে হবে।

২. সবাইকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাউন্সেলিং করা।

৩. নিজ বাসস্থানসহ আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

৪. খাদ্যের সব পুষ্টিমান নিশ্চিত করতে ভিটামিন সাপ্লিমেন্টারি ওষুধ সরবরাহ এবং সুপেয় পানির সুব্যবস্থা করা।

৫. গ্রামে প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ সিস্টেম চালু এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে।

৬. প্রতিবন্ধীদের চাহিদা মোতাবেক বহুমাত্রিক শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করে প্রতিবন্ধী স্কুল স্থাপন ও প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ করা।

৭. চাহিদামাফিক প্রয়োজনীয় সহায়ক উপকরণ যেমন- হুইল চেয়ার, ট্রাইসাইকেল, হেয়ারিং ডিভাইস ও দৃষ্টি সহায়ক উপকরণ সরবরাহ করতে হবে।


Top