আজ || বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
  ফেনীর দাগনভূঞার সিলোনিয়া বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলোনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ শিক্ষার্থী নিহত, আহত ৬       বাহরাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ       আদালতে ঢুকে সেই ওসির তিন স্যালুট, বিচারক বললেন ‘অর্ডার অর্ডারই       বাংলাদেশ স্কুল বাহরাইনের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছাত্র-ছাত্রীরা       বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপন       ফেনীতে সাংবাদিক স্বপন মজুমদারের বাসায় গুলি বর্ষণ: বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব বাহরাইনের নিন্দা ও প্রতিবাদ সভা       ফেনীর রামপুরে সাংবাদিকের বাসা বাড়ি লক্ষ্য করে ফিল্মি স্টাইলে গুলি বর্ষণ করেন দুর্বৃত্তরা       জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন বাংলাদেশ দূতাবাস বাহরাইন       সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বাহরাইনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত       ১২ বছরের সফল যাত্রা শেষে ১৩ বছরে পদার্পণ করেছেন ফেনী ইউনিভার্সিটি    
 


ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ১১ মাসেও চালু হয়নি আইসিইউ, ১১ কোটি টাকা খরচের ফাইল গায়েব

বিশেষ প্রতিনিধি :

ফেনী ২৫০ শয্যা হাসপাতালের জন্য প্রধানমন্ত্রী জনবল অনুমোদন সহ আইসিইউ ও সিসিইউ এর জন্য ১১ কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছিলেন। পুরো টাকা উত্তোলন করলেও কয়েকটা বেড ছাড়া আইসিইউ সিসিইউ এর অস্তিত্ব নেই। গতবছর করনার সময় ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারি হাসপাতালে নিজস্ব টাকায় ২টি আইসিইউ চালু করে দিয়েছেন। ফেনী সদর হাসপাতালের অফিস থেকে ১১ কোটি টাকা খরচের ফাইল গায়েব হয়ে গিয়েছে। ফেনী জেনারেল হাসপাতালে উদ্বোধনের ১১ মাস পার হতে চললেও চালু করা সম্ভব হয়নি ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ)। করোনা সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এ জেলায় রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকায় সংকটাপন্ন রোগীরা আইসিইউর অভাবে মারা যাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বছরের মার্চ থেকে জেলায় কোভিডের প্রকোপ বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কোভিড সেবা দেয়ার জন্য জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ৩০ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট চালু করা হয়। পর্যায়ক্রমে হাসপাতালটিতে ৭৫ শয্যায় আইসোলেশন উন্নীত করা হয়। গত বছর থেকে এ পর্যন্ত ১১ জন কোভিড পজেটিভ রোগী মারা যান।

গতকাল রবিবার হাসপাতালে গিয়ে জানা গেছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪২ জন। এর মধ্যে ১৩ জন পজেটিভ রোগী রয়েছেন। গত বছরের ১৭ মে হাসপাতালে ১০ শয্যার আইসিইউ উদ্বোধন করা হয়। এরপর ১১ মাস অতিবাহিত হতে চললেও চালু করা সম্ভব হয়নি আইসিইউ সেবা। ইতিমধ্যে আইসিইউ সেবা চালুর জন্য একজন চিকিৎসক ডা: আসিফ ইকবাল ও ৫ জন নার্সকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ১০ শয্যার আইসিইউ চালু করতে একজন ক্রিটিক্যাল কেয়ার চিকিৎসক, ৩ জন কনসালটেন্ট ও ৬ জন মেডিকেল অফিসার প্রয়োজন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: মো: ইকবাল হোসেন ভূঞা  জানান, করোনার সংকটাপন্ন রোগীদের জন্য ভেন্টিলেটরের চেয়ে অক্সিজেন গুরুত্বপূর্ণ। নিরবিচ্ছিন্ন অক্সিজেন সেবার প্রস্তুতি চলছে। খুব শীঘ্রই দুই শয্যা চালু করতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

 


Top