আজ || মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
  ফেনীর দাগনভূঞার সিলোনিয়া বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলোনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ শিক্ষার্থী নিহত, আহত ৬       বাহরাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ       আদালতে ঢুকে সেই ওসির তিন স্যালুট, বিচারক বললেন ‘অর্ডার অর্ডারই       বাংলাদেশ স্কুল বাহরাইনের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছাত্র-ছাত্রীরা       বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপন       ফেনীতে সাংবাদিক স্বপন মজুমদারের বাসায় গুলি বর্ষণ: বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব বাহরাইনের নিন্দা ও প্রতিবাদ সভা       ফেনীর রামপুরে সাংবাদিকের বাসা বাড়ি লক্ষ্য করে ফিল্মি স্টাইলে গুলি বর্ষণ করেন দুর্বৃত্তরা       জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন বাংলাদেশ দূতাবাস বাহরাইন       সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বাহরাইনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত       ১২ বছরের সফল যাত্রা শেষে ১৩ বছরে পদার্পণ করেছেন ফেনী ইউনিভার্সিটি    
 


বিচারকাজে প্রযুক্তির ব্যবহার মামলাজট কমাবে: প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন

অনলাইন ডেস্ক :

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স এমন জায়গায় যাবে যে জুডিশিয়ারিতে কোনো পেন্ডিং মামলা থাকবে না। কিন্তু এ প্রযুক্তির সৎ ব্যবহার করতে হবে এবং প্রযুক্তির ব্যবহারে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। বললেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

বুধবার (০১ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টে ডিজিটাল আর্কাইভিং এবং ই-ফাইলিং ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, যখনই আমাদের ডিজিটাল কোর্টের প্রবর্তন হলো, আমার এখনো খেয়াল আছে ২০২০ সালের ৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলাম আমরা বিচারকরা ১০ লাখ টাকা প্রধানমন্ত্রীর ফান্ডে দেয়ার জন্য। প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে টাকা দিয়ে বললাম, আদালতের (কোর্ট) কার্যক্রম তো চলছে না। সারা পৃথিবীতে কোর্ট চলছে। বাংলাদেশে শুধু কোর্ট চলছে না। তখন প্রধানমন্ত্রী আমাকে বললেন ভার্চুয়াল কোর্ট করেন।

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আরও বলেন, ভার্চুয়াল কোর্টের আইন করা যে কতো কঠিন, সেই আইন আমরা স্বল্পতম সময়ের মধ্যে করেছি। এজন্য আমি আইনমন্ত্রী, বিচারপতি ইমান আলী ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে ধন্যবাদ দিবো।

তিনি বলেন, ২০০৭ সালে বিচারবিভাগ পৃথক হয়েছে। এখনো সব জায়গায় ভবন হয়নি। আমরা বিচারক দু-তিন গুণ করবো। তাদের কোথায় বসাবো। একমাত্র ভার্চুয়াল কোর্ট যদি প্রবর্তন করা যায় তাহলে বিচারকের বাসায় থেকে আদালতের কাজ চলবে। এজন্য আইনজীবীদের ভালোভাবে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। তাহলে অচিরেই আমরা মামলারজট থেকে মুক্তি পেতে পারবো। তাছাড়া মামলার জট থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন ব্যাপার। যেমন- এফিডেভিট সেকশনে আসতে হয়, চেষ্টা করা হবে আইনজীবীর চেম্বারে আইনজীবী এনআইডির সঙ্গে সমন্বয় করে যদি করা যায় তাহলে এফিডেভিট সেকশনে আসতে হবে না।

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, এর ফলে ২৪ ঘণ্টা ফাইল করা যাবে। ভারতে ২৪ ঘণ্টা ফাইল করা যাচ্ছে। আগামী দু-তিন বছরের মধ্যে আমার যে উত্তরসূরি আসবেন তিনি যদি এটা করেন তাহলে বিচার বিভাগে একটা বিপ্লব ঘটবে। শুধু তাই নয়, এখন আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স যে জায়গায় যাচ্ছে, শুধু মুখে কথা বলবেন লেখা হয়ে যাবে, কষ্ট অনেক কমে যাবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স এমন জায়গায় যাবে যে জুডিশিয়ারিতে কোনো পেন্ডিং মামলা থাকবে না। কিন্তু এ প্রযুক্তির সৎ ব্যবহার করতে হবে এবং প্রযুক্তির ব্যবহারে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। আমার পরে যারা এ দায়িত্বে আসবেন, আশা করবো তারা এ কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

 


Top