আজ || সোমবার, ২৭ মে ২০২৪
শিরোনাম :
  ফেনী ইউনিভার্সিটিতে প্রথমবারের মত উদ্বোধন হলো অটাম ২০২৪ ভর্তি মেলা, শেষ হবে আগামী ৩০ মে       বাহরাইনে এ. আর মমতাজ কন্ট্রাক্টটিং কোম্পানির উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত       জালালাবাদ এসোসিয়েশন বাহরাইন শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত       বাংলাদেশ-কাতারের সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘বাংলাদেশ ট্রেড ফেয়ার কাতার ২০২৪       শ্রমজীবী-পথচারীদের মাঝে দাগনভূঞা সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের শরবত বিতরণ       ফেনী ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের প্রভাষককে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান       ফেনীর দাগনভূঞায় ক্রীড়া,সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ       উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ফেনীর দাগনভূঞায় আনসার ও ভিডিপি সদস্য বাছাই       ফেনী ইউনিভার্সিটিতে বৃক্ষরোপণ করল ডিবেটিং ক্লাব       বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি বাহরাইনের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত    
 


বৈধ প‌থে দেশে রে‌মিট্যা‌ন্স পাঠালে ৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা মিল‌বে

ডলার বাজারে অস্থিরতার মাঝে বাড়তি দরে ডলার কেনার সিদ্ধান্ত এসেছে। কোনো ব্যাংক চাইলে, কেনার সময়, প্রতি ডলারে ১১০ টাকার সঙ্গে আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিতে পারবে। যা রোববার (২২ অক্টোবর) থেকেই কার্যকর হয়েছে। নতুন নিয়মে এখন বৈধ প‌থে দেশে রে‌মিট্যা‌ন্স পাঠালে ৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা মিল‌বে। প্রণোদনার অর্থ ব্যাংকের অন্য আয় থেকে সমন্বয় করতে হবে। তবে বিক্রির দর ১১০ টাকা ৫০ পয়সায় অপরিবর্তিত আছে।

বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) ও অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) গত শুক্রবার যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়।

রেমিট্যান্স আকৃষ্ট করতে সরকার ২০১৯ সালে দুই শতাংশ প্রণোদনা চালু করে এবং পরে তা বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করা হয়। এখন ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব কোষাগার থেকে অতিরিক্ত আড়াই শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা দেবে। উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দাঁড়ায় ১৮.২০ বিলিয়ন বা এক হাজার আটশ’ ২০ কোটি মার্কিন ডলার, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি। ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪.৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৩৬ শতাংশ বেশি।

গেল বছরের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ডলারের দর নির্ধারণ করে আসছে, ব্যাংকগুলো। তবে কখনই কেনার চেয়ে বিক্রির মূল্য কম ছিল না। বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকারদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, এতে কিছু আমদানিকারক বাড়তি টাকা নেওয়ার বৈধতা পাবেন। এতে বিশেষ গোষ্ঠী সুবিধা পেতে পারে। যা কোনোভাবেই বাস্তব সম্মত নয়। এর মাধ্যমে ডলার বিক্রির আসল দর আড়াল করে আমদানিকারকদের থেকে বাড়তি টাকা নেওয়া বৈধতা পাবে বলে মনে করেন কেউ কেউ।


Top