আজ || বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
  ফেনীর দাগনভূঞার সিলোনিয়া বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলোনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ শিক্ষার্থী নিহত, আহত ৬       বাহরাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ       আদালতে ঢুকে সেই ওসির তিন স্যালুট, বিচারক বললেন ‘অর্ডার অর্ডারই       বাংলাদেশ স্কুল বাহরাইনের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছাত্র-ছাত্রীরা       বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপন       ফেনীতে সাংবাদিক স্বপন মজুমদারের বাসায় গুলি বর্ষণ: বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব বাহরাইনের নিন্দা ও প্রতিবাদ সভা       ফেনীর রামপুরে সাংবাদিকের বাসা বাড়ি লক্ষ্য করে ফিল্মি স্টাইলে গুলি বর্ষণ করেন দুর্বৃত্তরা       জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন বাংলাদেশ দূতাবাস বাহরাইন       সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বাহরাইনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত       ১২ বছরের সফল যাত্রা শেষে ১৩ বছরে পদার্পণ করেছেন ফেনী ইউনিভার্সিটি    
 


বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের এন্তেকাল

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের এন্তেকাল

ফরিদপুর (সদর-৩) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

আজ বুধবার দুপুর সোয়া ১টায় রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন।

বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ফরিদপুর জেলার বাঙালি জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। কামাল ইউসুফের পিতামহ ছিলেন জমিদার চৌধুরী মঈজউদ্দীন। তার পিতা ইউসুফ আলী চৌধুরী (মোহন মিয়া) ব্রিটিশ শাসনামলে একজন বিশিষ্ট মুসলিম লীগ নেতা ছিলেন। তার চাচা চৌধুরী আবদুল্লাহ জহিরউদ্দীন (লাল মিয়া) আইয়ুব খানের সরকারে মন্ত্রিসভায় ছিলেন এবং অন্য চাচা এনায়েত হোসেন চৌধুরী পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন।

১৯৭৯ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠিত হলে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ যোগ দেন। ১৯৭৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি সংসদে নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালে তিনি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।

১৯৯১ সালে তিনি আবার নির্বাচিত হন এবং প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হন। ১৯৯৬ সাধারণ নির্বাচনে তিনি জয়ী হলেও তার দল বিএনপি আওয়ামী লীগের কাছে হেরে ক্ষমতায় হারায়।

তিনি ২০০১ সালের নির্বাচনেও জিতেছিলেন, তারপরে তিনি খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী হয়েছিলেন। ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি তার আসন হারান। তিনি সর্বশেষ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 


Top