আজ || মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
  ফেনী ইউনিভার্সিটির বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন       বাহরাইনের হিদ এলাকায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে “এম এম টি ফিটনেস জিম সেন্টারের” শুভ উদ্বোধন       ফেনীর দাগনভূঞার সিলোনিয়া বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলোনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১ শিক্ষার্থী নিহত, আহত ৬       বাহরাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ       আদালতে ঢুকে সেই ওসির তিন স্যালুট, বিচারক বললেন ‘অর্ডার অর্ডারই       বাংলাদেশ স্কুল বাহরাইনের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছাত্র-ছাত্রীরা       বাহরাইনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উদযাপন       ফেনীতে সাংবাদিক স্বপন মজুমদারের বাসায় গুলি বর্ষণ: বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব বাহরাইনের নিন্দা ও প্রতিবাদ সভা       ফেনীর রামপুরে সাংবাদিকের বাসা বাড়ি লক্ষ্য করে ফিল্মি স্টাইলে গুলি বর্ষণ করেন দুর্বৃত্তরা       জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন বাংলাদেশ দূতাবাস বাহরাইন    
 


মা-মেয়েকে ‘গরু চোর’ আখ্যা দিয়ে রশি বেঁধে প্রকাশ্য হাঁটিয়ে নিয়ে নির্মমভাবে পিটালেন চেয়ারম্যান

বিশেষ প্রতিনিধি :

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মা-মেয়েকে ‘গরু চোর’ আখ্যা দিয়ে নির্মমভাবে পিটানো হয়েছে। পরে কোমরে রশি বেঁধে তাদেরকে প্রকাশ্য হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে। সেখানে চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম নিজে আবার তাদের মারধর করেন। একপর্যায়ে তাদের শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হলে পুলিশ এসে মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে চকরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করে।

শুক্রবার (২১ আগষ্ট) দুপুরে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের পহরচাঁদা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনার ছবি প্রকাশের পর শনিবার বিষয়টি জানাজানি হয়।

মা ও মেয়ে চকরিয়া হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানার হারবাং তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার স্থানীয়রা ফাঁড়িতে খবর দিলে আমরা ফোর্স পাঠাই। আমাদের ফোর্স গিয়ে গুরুতর অবস্থায় মা-মেয়েকে উদ্ধার করে আমাদের হেফাজতে নিয়ে আসে। আমরা তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় এক ব্যক্তির দায়ের করা গরু চুরির মামলায় তাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে।

হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলামের নেতৃত্বে তাদের উপর নির্যাতন হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমন অভিযোগ ওদের কেউ করেনি। আমাদের ফোর্স যখন ঘটনাস্থলে যায় তখন সেখানে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে তাদেরকে আমাদের হেফাজতে নিয়ে আসাটাই প্রাধান্য দিয়েছি। আর ভুক্তভোগী কিংবা অন্য কেউ যদি অভিযোগ করে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

তবে ঘটনার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, একদফা মা-মেয়ের ওপর নির্যাতন চলার পর হারবাং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম চৌকিদার (গ্রাম পুলিশ) পাঠিয়ে তাদেরকে রশিতে বেঁধে তার কার্যালয়ে এনে আবার নির্মমভাবে নির্যাতন করেন। নির্যাতন শেষে চেয়ারম্যানের লোকেরাই তদন্তকেন্দ্রে ফোন করে পুলিশ এনে মা-মেয়েকে মুমূর্ষু অবস্থায় তুলে দেন।

হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

 


Top